৭ দিনে ওজন কমাতে দারুচিনির নতুন এই ড্রিঙ্কসটি পান করুন

0
184
৭ দিনে ওজন কমাতে দারচিনির পানীয়

রান্নার সাধ বাড়াতে মসলা হিসেবে দারুচিনি ব্যবহার হয়ে আসছে।মসলা হিসেবে ব্যবহার হলেও ওজন কমাতে এটি দারুণ কাজ করে ।

চলুন ওজন কমাতে দারুচিনি কিভাবে খেতে হবে তা দেখে নিই ।

ওজন কমাতে দারুচিনির ড্রিঙ্কসঃ

উপাদানসমূহঃ

এক কাপ ফুটন্ত গরম পানি

এক চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো

মধুর উপকারিতা

১ চামচ মধু ও

১ চামচ লেবুর রস

ওজন কমাতে দারুচিনি ড্রিংকস তৈরীর প্রক্রিয়াঃ

প্রথমে একটি কাপে ১ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে দিবেন।

তার ওপর ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে দিন।  এই অবস্থায় ৫ মিনিট সময় রেখে দিন।

এরপর পানি কুসুম গরম হয়ে গেলে লেবুর রস এবং মধু দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে পেটের মেদ এবং শরীরের চর্বি কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি ড্রিঙ্কস।

যেভাবে বা সময়ে  দারুচিনির ড্রিংকস পান করবেনঃ

দুইকাপ দারুচিনির ড্রিংকস তৈরি করে নিয়ে  ফ্রিজে রেখে দিন।

রাতে শোবার পূর্বে  1 কাপ  দারুচিনি ড্রিংকস পান করুন।

এবং সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে আরেক কাপ দারুচিনির ড্রিংকস পান করুন।

তবে আপনি দিনের যেকোনো সময় চাইলে খালি পেটে দারুচিনির ড্রিংকস পান করতে পারবেন।

মেদ কমাতে দারুচিনি ড্রিংকস এর কার্যকারিতাঃ

দ্রুত সময়ে ওজন কমাতে দারুচিনি ড্রিংকস খুবই কার্যকরী । দারুচিনি এবং মধুতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ডিটক্সিফাইড় উপাদান আমাদের শরীরের মেদ এবং চর্বি দ্রুত গলাতে সাহায্য করে।

লেবুতে বিদ্যমান প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যাসিটিক অ্যাসিড আমাদের চর্বি কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। তাই দ্রুত সময়ে পেটের মেদ এবং শরীরের চর্বি কমিয়ে । শরীর ফিট ও আকর্ষণীয় রাখতে নিয়মিত দারুচিনির ড্রিংকস পান করুন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

পানীয় টি কুসুম গরম থাকা অবস্থায় পান করবেন।

দ্রুত ফলাফল পেতে চাইলে নিয়মিত ড্রিংস গুলো পান করবেন।

ড্রিংকস তৈরিতে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি উপাদান অপরিশোধিত তথা খাঁটি কিনা তা অবশ্যই যাচাই করে নিবেন।

পেটের মেদ এবং শরীরের চর্বি কমাতে  কিছু করনীয় বিষয়ঃ

আপনার উচ্চতা,বয়স  এবং ওজন অনুসারে প্রচুর পানি পান করবেন।

বাইরের পোড়া তেলে ভাজা খাবার  সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করবেন।

দিনে অন্তত এক ঘণ্টা হাঁটবেন।

অন্তত ৩০ মিনিট সূর্যের আলো গায়ে লাগবেন।

রাতের খাবার হালকা খাবেন এবং নয়টা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে রাতের খাবার সেরে নেয়ার চেষ্টা করবেন।

প্রচুর পরিমাণে শাক সবজি শসা ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here