মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক দিয়ে মাত্র দিয়ে মাত্র ৪ মিনিটে ত্বক ফর্সা করার উপায়

0
776
মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক

আজ আমি আপনাদের সাথে মুলতানি মাটির এমন একটি ফেসপ্যাক শেয়ার করব যার সাহায্যে মাত্র ৪ মিনিটে ত্বক ফর্সা করতে পারবেন । 

এর ব্যবহারে আপনার ত্বক এতটা গ্লোয়িং আর ফর্সা হবে যা দেখে আপনি নিজেও বিশ্বাস করতে পারবেন না।

আর এই উপায়টি এতটাই সহজ ও কার্যকর যার প্রথম ব্যবহারে আপনি অসাধারণ ফলাফল পাবেন।

মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক তৈরিতে 

যা যা লাগবেঃ

রাতারাতি ত্বক ফর্সা করার উপায়্‌

২ চামচ মুলতানি মাটি

২ চামচ আমন্ড ( বাদাম )  এর পেস্ট

১ চা চামচ মধু ও

২ চামচ শশার রস

ফেসপ্যাকটি তৈরির প্রক্রিয়াঃ

মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক দিয়ে ত্বক ফর্সা করার উপায়

প্রথমে কিছু আলমন্ড ২ থেকে ৩ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে আলমন্ড এর পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে।

এবার একটি পরিষ্কার পাত্রে মুলতানি মাটির সাথে বাকি সবগুলো উপকরণ পরিমাণ মতো নিয়ে ভালোভাবে গুলিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে।

মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক

তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে দাগহীন নিখুঁত মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি ফেসপ্যাক।

ব্যবহারঃ

মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক

পরিষ্কার তোলা অথবা ব্রাশের সাহায্যে ভালোভাবে সম্পূর্ণ মুখে ফেসপ্যাক এর মিশ্রণটি লাগিয়ে দিন।

মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক

 এটি ত্বকে লাগিয়ে পুরুপুরি শুকানোর জন্য সময় দিন।

সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম জলে তোলা ভিজিয়ে মিশ্রণটি ঘষে ঘষে তুলে নিন।

সবশেষে ঠাণ্ডা পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

দাগমুক্ত উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় তথ্য পেতে মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক ব্যবহারের আরো উপকারিতাঃ

ত্বক গভীর থেকে উজ্জ্বল ও ফর্সা হয়ে উঠবে।

ব্রণ এবং ব্রণের দাগ সম্পূর্ণরূপে দূর হবে।

মুলতানি মাটি দিয়ে মাত্র দিয়ে মাত্র ৪ মিনিটে ত্বক ফর্সা করার উপায়

মৃত চামড়া এবং মৃত কোষ দূর হবে।

বন্ধ হয়ে যাওয়া ত্বকের লোমকূপ প্রসারিত হবে।

কালো ছোপ ছোপ দাগ, বলিরেখা,,ফাইন লাইন রিংকেল সম্পূর্ণরূপে দূর হবে।

ত্বক ফর্সা আর উজ্জল করার উপায়

ত্বককে কোমল ও মসৃণ করে তুলবে।

নোটঃ

১। এই প্যাকটি সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করুন ।

২। আপনারা এটি পরু বডিতেও লাগাতে পারবেন ।

দ্রুত সময়ে উজ্জ্বল, ফর্সা, নিখুঁত এবং কোমল, মসৃণ ত্বকের জন্য মুলতানি মাটির এই ফেসপ্যাকটি অত্যন্ত উপকারী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here