চুল না থাকা বা চুল কম থাকা কেউ চাই না । চুল না থাকলে অনেক পুরুষ মাথায় ক্যাপ পরেন। ক্যাপ দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে রক্ষা পাওয়া গেলেও নারীদের জন্য ঘন কালো রেশমি চুলের বিকল্প নেই। নারীদের সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে চুল।
তাই চুল পড়ে যাওয়া নারী-পুরুষ সবার জন্যই ক্ষতিকর। কারণ চুল মানুষের দৈহিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। আপনি সুন্দর পোশাক পরেছেন কিন্তু আপনার চুল ঠিক নেই তাহলে আপনার পুরো সৌন্দর্য নষ্ট হবে।
তাই চুল ঝরে পড়া বন্ধ করে ও নতুন চুল যেন গজায় তার জন্য কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি হেয়ার প্যাক ব্যবহারে চুল পড়া পুরুপুরি বন্ধ হয়ে নতুন চুল গজাবে ।
চলুন, চুল পড়া বন্ধের জন্য হেয়ার প্যাক কিভাবে তৈরি ব্যবহার করতে হবে তা দেখে নিই।
হেয়ার প্যাক তৈরিতে প্রাকৃতিক যে উপাদান গুলো লাগবেঃ
- ২ টেবিল চামচ কালোজিরার তেল
- ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস
- ২ চা চামচ অলিভ অয়েল
- ১ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ

হেয়ার প্যাক তৈরির প্রক্রিয়াঃ
১। প্রথমে পেঁয়াজের চামড়া ছিলে নিয়ে ভালোভাবে পেস্ট করে রস বের করে নিন।
২। পেঁয়াজের রসের সাথে কালোজিরার তেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
৩। মিশ্রণটির সাথে পরিমাণ অনুযায়ী দুধ এবং অলিভ অয়েল ভালোভাবে মিশিয়ে দিয়ে তৈরি করে নিন কালোজিরার কার্যকরী একটি হেয়ার প্যাক।

হেয়ার প্যাক চুলে ব্যবহারের প্রক্রিয়াঃ
১। পরিষ্কার মাথার ত্বকে, সম্পূর্ণ চুলে এবং চুলের গোড়ায় হেয়ার ব্রাশ এর সাহায্যে কালোজিরার হেয়ার প্যাকটি ভালভাবে লাগিয়ে নিন।
২। তিন থেকে পাঁচ মিনিট আঙুলের সাহায্যে চুলের গোড়া আলতো ভাবে ম্যাসাজ করুন।
শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন বা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চুল সমেত মাথা বেঁধে নিন।

৩। ২০ থেকে ২৫ মিনিট অপেক্ষা করুন এরপর প্রথমে ঠান্ডা পরিষ্কার জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিয়ে, সবশেষে শ্যাম্পু করে নিন।
কালোজিরার তেলের এই হেয়ার প্যাকটি চুল পড়া রোধ করার সাথে সাথে নতুন চুল গজাতে, চুল ভাঙ্গা রোধ করতে, চুল ঘন কালো, মসৃণ এবং উজ্জ্বল করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
সপ্তাহে অন্তত দুবার হেয়ার প্যাকটি ব্যবহার করুন।
চুল পড়া রোধ করতে আরো কিছু বিষয় করণীয়ঃ
- প্রয়োজন ছাড়া চুল স্ট্রেইট করা এবং পার্ম করা থেকে বিরত থাকুন।
- মাত্রাতিরিক্ত ভাবে চুল আঁচড়াবেন না।

- চুলে ব্যবহার করার পানি আইরোনিক হলে পানি পরিবর্তন করুন।
- পানি ঝরানোর জন্য তোয়ালে দিয়ে অতিরিক্ত চুল ঘষা-মাজা করবেন না।
- প্রোটিন এবং আমি সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন।